ওয়ার্ডপ্রেস কনফিগারেশন ফাইলের দশটি টিপস এবং ট্রিকস

ওয়ার্ডপ্রেসের কনফিগারেশন ফাইলে কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে যে কত কিছু করা যায়, অনেকেই সেটা জানেন না। আজকের আর্টিকেলে আমি সেইসব টি্রকস নিয়ে আলোচনা করব। এই আর্টিকেলটি মূলত ইন্টারমিডিয়েট থেকে অ্যাডভান্সড ইউজার দের জন্য – তবে কিছু কিছু সেটিংস যারা নতুন ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করেছেন তাদেরকেও সাহায্য করবে।

টিপ ১: সহজে ওয়ার্ডপ্রেসের রিপোজিটরী থেকে প্লাগইন এবং থিম ইনস্টল করা: নিজের মেশিন সেটা লোকালহোস্ট বা ডেডিকেটেড অথবা ভিপিএস সার্ভার হোক, ওয়ার্ডপ্রেসের অ্যাডমিন প্যানেল থেকে প্লাগইন বা থিম সার্চ করে ইনস্টল করতে গেলেই ওয়ার্ডপ্রেস সার্ভারের এফটিপি ডিটেইলস জানতে চেয়ে একটা স্ক্রিন শো করে। সেখানে এফটিপি ডিটেইলস না দেয়া পর্যন্ত আপনি ইনস্টল করতে পারবেন না। এই বিরক্তিকর স্টেপটি বন্ধ করার জন্য কনফিগারেশন ফাইলে নিচের মত করে একটি ইনস্ট্রাকশন লিখুন

টিপ ২: ডেভেলপমেন্টের সময়ে ভুল হলে বা আমাদের কোড ঠিকমত কাজ না করলে অনেকসময়েই আমাদের জানার দরকার পড়ে সমস্যা টা কি। ওয়ার্ডপ্রেসের নিজস্ব একটি ডিবাগ সিস্টেম রয়েছে যার সাহায্যে আপনি যাবতীয় এরর বা ইনফর্মেশন সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এটা অন করার জন্য কনফিগারেশ ফাইলে নিচের ইনস্ট্রাকশন দিন। তবে অনুগ্রহ করে প্রোডাকশন সার্ভারে ডিবাগ অফ করে রাখবেন  Continue reading ওয়ার্ডপ্রেস কনফিগারেশন ফাইলের দশটি টিপস এবং ট্রিকস

ওয়ার্ডপ্রেস সিকিউরিটি অ আ ক খ – প্রাথমিক ধারনা

এই আর্টিকেলটি অতিথি লেখক অরিত্রর লেখা। ওর লেখার স্টাইল এবং বিষয়বস্তু আমার পছন্দ হয়েছে।   তাছাড়া এই আর্টিকেলটি ওয়ার্ডপ্রেসের সিকিউরিটির উপরে বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং টপিকস নিয়ে আলোচনা করেছে যা আপনাদের ভালো লাগবে বলেই আমার বিশ্বাস। আমি আশা করব অরিত্র পরবর্তীতে আরও কিছু চমৎকার বিষয় নিয়ে হাজির হবে আপনাদের সামনে। পাশাপাশি আমাদের নিয়মিত প্রকাশনা তো রয়েছেই  – হাসিন হায়দার

ওয়ার্ডপ্রেস কি কেন, কিভাবে, এসব নিয়ে আলোচনা চলবে। তবে যখন আপনি দিন রাত পরিশ্রম করে একটা সাইট প্রস্তুত করবেন, এরপর কোন একদিন একজন হ্যাকার এসে সেটার ১২ টা বাজিয়ে দিয়ে যাবে, এরপর আবার আপনি বসে বসে পুনরায় সাইট ঠিক করবেন, এমনটা হলে ব্যাপারটা আসলেই বিরক্তিকর হবে। সাধের সাইট কেউ এসে অকারনে নষ্ট করে গেলে সেটা মেজাজ খারাপ করবে, স্বাভাবিক। এখন নিশ্চয়ই আপনি হ্যাকার চলে গেলে সাইট ঠিক করে ফেলবেন, এই আশায় তো বসে থাকবেন না। জীবনের সব ক্ষেত্রে একটা কথা খাটে, Prevention is Better then Cure. আমরাও এখানে কমবেশি সেই কাজটাই করবো।

কি করতে চাইছি আসলে?

এখানে ওয়ার্ডপ্রেস সিকিউরিটি নিয়ে একদম বেসিক দিক গুলো দেখবো আমরা। পর্যায়ক্রমে আমরা বাকি দিকগুলোর ওপরে আলোকপাত করবো। আপাতত, কিভাবে আপনার কষ্ট কমানো যায়, সেদিকে আমাদের মূল মনোযোগ থাকবে। প্রাথমিক কিছু ব্যাপার আছে, যেখানে আপনি অনেক কম পরিশ্রমে নিজের অনেক কষ্ট কমাতে পারেন। ধাপে ধাপে সমস্যা, কেন সমস্যা এবং সেটার সমাধান নিয়ে আলোচনা করবো আমরা।

যা যা দরকার

  • ঠান্ডা মাথায় পড়তে হবে। 
  • তার চেয়েও বেশী ঠান্ডা মাথায় অ্যাপ্লাই করতে হবে।
  • এবং চাইলে মাথা হালকা গরম করে এক মগ কফি খেতে পারেন এক ফাঁকে।

Continue reading ওয়ার্ডপ্রেস সিকিউরিটি অ আ ক খ – প্রাথমিক ধারনা

সূচীপত্র

১. ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করবেন কিভাবে
২. ওয়ার্ডপ্রেস টার্মিনোলজি
৩. ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় টুলস এবং সেটআপ
৪. ভার্চুয়াল হোস্টের অ আ ক খ
৫. ইনস্টলিং ওয়ার্ডপ্রেস
৬. ওয়ার্ডপ্রেস সিকিউরিটি অ আ ক খ – প্রাথমিক ধারনা
৭. ওয়ার্ডপ্রেস কনফিগারেশন ফাইলের দশটি টিপস এবং ট্রিকস
৮. কুইক টিপস ০১: ওয়ার্ডপ্রেসে ইমেজের ইউআরএল সিডিএনের ইউআরএল দিয়ে রিপ্লেস করা
৯. কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেসে নিজের থিমে রিডাক্স ফ্রেমওয়ার্ক যোগ করব?
১০. ওয়ার্ডপ্রেসে ফোনেটিক বাংলায় লেখার সুবিধা যোগ করব কিভাবে
১১. ওয়ার্ডপ্রেস শর্টকোড ১০১ – পর্ব এক
১২. ওয়ার্ডপ্রেস এডিটরে কাস্টম বাটন যোগ করা
১৩. ব্রাউজারের ক্যাশিং বাড়িয়ে দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস সাইট দ্রুত লোড করুন
১৪. ওয়ার্ডপ্রেস ট্যাক্সনমিতে মেটাবক্স সুবিধা যোগ করা
১৫. ওয়ার্ডপ্রেস লুপে সঠিকভাবে পোস্টের তারিখ দেখানো
১৬. ওয়ার্ডপ্রেস গ্যালারীতে HTML5 মার্কআপ সাপোর্ট
১৭. ওয়ার্ডপ্রেস দ্রুতগতি করণ-১
১৮. কোন প্রকার প্লাগিন ছাড়াই ওয়ার্ডপ্রেস কমেন্ট স্প্যাম থেকে বাঁচার খুবই সহজ উপায়
১৯. ওয়ার্ডপ্রেসের Walker ক্লাসের কাজ ও ধারনা
২০. ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্টে লারাভেল টাস্ক টুল এলিক্সিয়ার ( Elixir ) এর ব্যবহার
২১. Twitter Bootstrap#v4.0 ও WP Mix দিয়ে ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপমেন্ট

ওয়ার্ডপ্রেসের কুকবুকে লেখা শুরু করার পর আমি দেখলাম নামে বেনামে অনেকেই এখানে ওখানে কপি পেস্ট করতেছে। প্রথম প্রথম একটু মন খারাপ হলেও পরে ভাবলাম যে আমি আসলে এই লেখা গুলো কেন লিখতেছি? – সবার জন্যই তো। সো কপি পেস্ট হলে আমার কোন সমস্যা নাই, বরং সেটা বেশী মানুষের মাঝেই ছড়িয়ে যাবে যেটা সবার জন্যই ভালো। নাম দিলেই কি, আর না দিলেই কি 🙂

আজ থেকে (এবং পূর্বেকার) ওয়ার্ডপ্রেস কুকবুকের সমস্ত লেখা ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের (BY-NC-SA) অধীনে প্রকাশ করা হল।

BY-NC-SA শব্দটির মাঝে বেশ কয়েকটি গূরুত্বপূর্ন টার্ম রয়েছে।

“BY” অর্থ লেখকের ক্রেডিট উল্লেখ করতে হবে
“NC” অর্থ নন কমার্শিয়াল। অর্থাৎ এই লেখা গুলো কোনভাবেই কোন কমার্শিয়াল কাজে ব্যবহার করা যাবে না
“SA” অর্থ এই লেখাটি বা এই লেখার উপরে ভিত্তি করে কোন ডেরিভেটিভ কাজ করলে বা শেয়ার করলে সেটাও অবশ্যই ক্রিয়েটিভ কমন্স BY-NC-SA লাইসেন্সের অধীনেই প্রকাশ করা লাগবে

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের ব্যপারে বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করতে পারেন
http://en.wikipedia.org/wiki/Creative_Commons_license

ইনস্টলিং ওয়ার্ডপ্রেস

ওয়ার্ডপ্রেস বিখ্যাত তার ৫ মিনিটের ইনস্টলেশন সিস্টেমের জন্য, তবে সত্যি কথা বলতে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করতে এক মিনিটের বেশি লাগে না। নিজের মেশিন বা ক্লাউড/ভিপিএস/শেয়ার্ড/ডেডিকেটেড সার্ভার ছাড়াও অনেক ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং সার্ভিস আছে। শুধু একটি ব্লগ চালানোই যদি আপনার টার্গেট হয় তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম (wordpress.com) ব্যবহার করে দেখতে পারেন, সহজে এবং বিনামূল্যে যদি ওয়ার্ডপ্রেসের ডেভেলপমেন্ট করতে চান তাহলে প্যাগোডাবক্স (pagodabox.com), ফোর্টর‍্য্যাবিট (fortrabbit.com) বা ওপেনশিফট (openshift.com) ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

নিজের মেশিনে বা ভিপিএস/ক্লাউড/ডেডিকেটেড সার্ভারে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার জন্য আগে ঠিকমত অ্যাপাচি, মাইএসকিউএল এবং পিএইচপি কনফিগার করে ফেলুন। এরপর একটি ভার্চুয়াল হোস্ট তৈরী করুন, আমি ধরে নিলাম আপনার ভার্চুয়াল হোস্টের নাম “local.mywp.dev” যা কিনা “/var/www/mywp” ফোল্ডারের সাথে ম্যাপ করা আছে। আপনি আপনার সুবিধামত যেকোন ফোল্ডারে ম্যাপ করে নিতে পারেন ভার্চুয়াল হোস্ট কনফিগারেশনের মাধ্যমে।

স্টেপ ১: http://wordpress.org এখান থেকে ওয়ার্ডপ্রেসের লেটেস্ট ভার্সন নামিয়ে নিন এবং ফাইলটি আনজিপ করুন।

স্টেপ ২: আনজিপ করা ফোল্ডার থেকে সমস্ত ফাইল কপি করুন আপনার ভার্চুয়াল হোস্ট এর ফোল্ডারে  , এই আর্টিকেলে আমি ধরে নিয়েছি ফোল্ডারটি হল /var/www/mywp Continue reading ইনস্টলিং ওয়ার্ডপ্রেস

ভার্চুয়াল হোস্টের অ আ ক খ

আমরা ডেভেলপমেন্টের সময় বেশীর ভাগ সময়েই আমাদের কোড অ্যাপাচির ডকুমেন্ট রুটে (সাধারনত htdocs ডিরেক্টরীতে) রাখি এবং ব্রাউজারে “localhost” লিখে সেটা অ্যাকসেস করি। কিন্তু আজকে আমরা দেখবো কিভাবে আমরা ভার্চুয়াল হোস্ট তৈরী করে আমাদের প্রজেক্টকে যেকোন হোস্ট নাম দিয়ে ব্যবহার করতে পারি।

ভার্চুয়াল হোস্ট তৈরীর আগে আপনার জানা লাগবে যে আপনার অ্যাপাচি কনফিগ ফাইল কোথায় রয়েছে। প্রধান কনফিগ ফাইলটি সাধারনত httpd.conf বা apache2.conf নামে থাকে। অপারেটিং সিস্টেম ভেদে এই ফাইলের লোকেশন এক এক রকম হয়। ডেবিয়ান বা উবুন্তু তে এটা থাকে /etc/apache2/httpd.conf এই লোকেশনে। CentOS এ এই ফাইল থাকে সাধারনত /etc/httpd/conf/httpd.conf এখানে।

আমরা এই আর্টিকেলে সহজে ভার্চুয়াল হোস্ট তৈরীর জন্য সরাসরি httpd.conf ফাইলে এডিট করব, কিন্তু বাস্তব জীবনে বা প্রোডাকশন এনভায়রনমেন্টে আপনি দেখবেন যে আপনার সরাসরি httpd.conf ফাইলে হাত দেয়ার পারমিশন নাও থাকতে পারে, বা থাকলেও সেখানে এডিট না করে আমরা বরং একই ফোল্ডারে “sites-available” এবং “sites-enabled” নামে দুইটি ফোল্ডার থাকে, সেখানে ভার্চুয়াল হোস্টের ডেফিনিশন লেখা হয়। তবে আজকের আর্টিকেলে, আমরা সরাসরি httpd.conf ফাইলেই এডিট করব। Continue reading ভার্চুয়াল হোস্টের অ আ ক খ

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় টুলস এবং সেটআপ

ওয়ার্ডপ্রেস পিএইচপি দিয়ে লেখা, তাই যেকোন ধরনের ডেভেলপমেন্টের জন্য আপনার কিছুটা হলেও পিএইচপি জানতেই হবে। তাই বলে আবার যে শুধু পিএইচপি জানলেই হবে তাও কিন্তু না, সাথে আরো কিছু আনুসঙ্গিক টুলস এবং টেকনোলজী সম্পর্কে সম্যক এবং কার্যকরী ধারনা থাকা লাগবে। ওয়ার্ডপ্রেসে ডেটাবেজ হিসেবে মাইসিকুয়েল (বা মাইএসকিউএল, যে যেভাবে উচ্চারণ করেন আর কি) এবং ওয়েবসার্ভার হিসেবে অ্যাপাচি ব্যবহার করে। কিছু থার্ড পার্টি লাইব্রেরী আছে বটে যেগুলোর সাহায্যে ওয়ার্ডপ্রেস কোনরকমে পোস্টগ্রেস বা সিকুয়েল লাইট দিয়েও চালানো যায় কিন্তু সেগুলো অতটা রোবাস্ট না হওয়ায়, সুযোগ সুবিধা সীমিত হওয়ার কারনে এবং সর্বোপরি মাইসিকুয়েল সব ধরনের হোস্টিং এনভায়রনমেন্টে অত্যন্ত সহজলভ্য হওয়ায় সেগুলো তেমন জনপ্রিয় হয়নি। আর ওয়েবসার্ভার হিসেবে যে অ্যাপাচির কথা বলছিলাম, সেখানেও একই রকম ব্যাপার। তবে তারপরেও এনজিনএক্স (nginx) নামে আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং লাইটওয়েট ওয়েবসার্ভার আছে যা দিয়েও ওয়ার্ডপ্রেস চালানো যায়। কিন্তু এনজিনএক্সের সাথে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করা কিছুটা অ্যাডভান্সড হওয়ায় আমরা এই আর্টিকেলে সেটা নিয়ে আলোচনা করব না, বরং পরবর্তীতে বিশদভাবে এই ব্যাপারে কথা বলা হবে। ওয়ার্ডপ্রেসের ডকুমেন্টেশন বা কোডেক্সেও এই বিষয়ে বিশদ একটি আর্টিকেল রয়েছে।

ওয়েবসার্ভার সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ: ওয়ার্ডপ্রেস অ্যাপাচি ব্যবহার করলেও কাজের সুবিধার্থে আপনার অ্যাপাচির ডিফল্ট কনফিগারেশনে কিছু কিছু মডিউল থাকা বাঞ্ছনীয়। যেমন ভ্যানিটি ইউআরএল বা ফ্রেন্ডলি ইউআরএলের জন্য মড-রিরাইট থাকাটা প্রায় অত্যাবশ্যকীয়। এছাড়া আপনি যদি পরবর্তীতে ডেটাবেজ এবং সিপিইউ এর উপরে লোড কমাতে চান তাহলে ক্যাশিং এনাবল করার জন্য মড-এক্সপায়ারি অথবা মড-হেডারস থাকতে হবে। তবে সেগুলো পরের ব্যাপার। আপাতত মড-রিরাইট থাকাই যথেষ্ট Continue reading ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় টুলস এবং সেটআপ

ওয়ার্ডপ্রেস টার্মিনোলজি

ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ডেভেলপমেন্ট শুরু করার আগে ওয়ার্ডপ্রেসের বেসিক এলিমেন্ট গুলোর সাথে একটু পরিচিত হওয়া দরকার। কারন প্রাত্যহিক ব্যবহার বা পড়াশোনার সময় আপনি বারংবার এই টেকনিক্যাল টার্মস গুলোর সম্মূখীন হবেন। তাখন যাতে বুঝতে অসুবিধা না হয়, তাই প্রথমেই একটু পরিচিতি পরবর্তিতে আপনার জন্য সহায়ক হতে পারে।

থিম: থিম বলতে মূলত একটি পুরো প্যাকেজকে বোঝানো হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীর চাহিদা মত ওয়ার্ডপ্রেস কে কাস্টোমাইজ করে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। একটি থিম ওয়ার্ডপ্রেসের যাবতীয় উপাদান গুলোর মাঝে একটা সমন্বয় সাধন করে, তাদেরকে সফল ভাবে ব্যবহার করে। থিমে সিএসএস বা স্টাইলশিট ফাইল থাকে লুক-অ্যান্ড-ফিলের জন্য, জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইল থাকে ক্লায়েন্ট সাইডে কাজ করার করার জন্য, শর্টকোড এবং প্লাগইন থাকে ওয়ার্ডপ্রেসের কিছু কিছু কাজ সহজ করার জন্য অথবা এক্সটেন্ড করার জন্য, এছাড়া বেসিক টেমপ্লেট ফাইল থাকে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট, পেজ, আর্কাইভ ইত্যাদি দেখানোর জন্য। এগুলো সবগুলো মিলেই একটা থিম তৈরী করে

টেমপ্লেট ট্যাগ: ওয়ার্ডপ্রেসের একটি পোস্টের মাঝে অনেকধরনের এলিমেন্ট থাকে। সেগুলো সঠিকভাবে দেখানোর জন্য ওয়ার্ডপ্রেসে বিল্টইন কিছু ফাংশন রয়েছে যেগুলোকে বলে টেমপ্লেট ট্যাগ। সঠিকভাবে ব্যবহার করলে আপনি দেখবেন যে আপনাকে আলাদা ভাবে তেমন কিছুই করা লাগছে না, প্রায় সব কিছুই করে দেয়া আছে।

শর্টকোড: শর্টকোড ওয়ার্ডপ্রেসের বহুল ব্যবহৃত একটি প্লাগইন সিস্টেম। সহজে কোন পোস্টের কন্টেন্ট পরিবর্তন থেকে শুরু করে এক্সটার্নাল কন্টেন্ট ডিসপ্লে করার জন্য কনটেন্ট রাইটার দের এই শর্টকোড সুবিধা দেয়া হয়। শর্টকোড আর্টিকেল লেখার এবং ফরম্যাট করার কষ্ট অনেকাংশেই কমিয়ে আনে। Continue reading ওয়ার্ডপ্রেস টার্মিনোলজি

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করবেন কিভাবে

ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে যারা ডেভেলপমেন্ট শুরু করছে তারা প্রথম প্রথম খুবই আপসেট থাকে কিভাবে কি করবে। ওয়ার্ডপ্রেসের বিশাল ডকুমেন্টেশেন এবং স্কোপের কারনে সঠিক ভাবে একটা ওয়ার্কফ্লো ফলো করা কঠিন হয়ে যায় তাদের জন্য। এ বিষয়ে আমার সাজেশন হল একদম প্রাইমারী বিষয় থেকে শুরু করা। প্রথমেই প্লাগইন ডেভেলপমেন্টের দিকে না গিয়ে বা ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে থিম কাস্টোমাইজেশনের মত কাজ না নিয়ে বেসিক জিনিস গুলো ঝালাই করে নেয়া উচিত, যেমন

০. ওয়ার্প্রেসের অ্যাডমিন প্যানেল নিয়ে কিছু সময় কাটানো উচিত। কোনটা কোথায় আছে, কিভাবে ট্যাগ বা ক্যাটেগরী (সংক্ষেপে ট্যাক্সোনমি) যোগ করা যায় বা নতুন ইউজার তৈরী করা যায়, তাদের পারমিশন দেয়া যায়, কিভাবে মিডিয়া এলিমেন্ট আপলোড করা যায় এবং পোস্টে সেগুলো অ্যাটাচ করা যায় সেগুলো জানা দরকার। ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেনটের আগে এটা অবশ্যকরণীয় – কারন আমরা যদি নাই জানি যে ডিফল্ট ভাবে ওয়ার্ডপ্রেসে কি কি দেয়া আছে, তাহলে কাজ করার সময় অযথা অনেক সময় নষ্ট হবে ওয়ার্কফ্লো বুঝতে বুঝতেই।

১. এরপর একটা সাধারণ থিম তৈরী করা উচিত একদম নিজে থেকে, ফ্রম স্ক্র‍্য্যাচ যাকে বলে। তাহলে ওয়ার্ডপ্রেসের কয়েকটা প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন হুক (বিশেষ ভাবে অ্যাকশন হুক) , স্টাইলশিট এবং জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইল এনকিউ করা এবং ওয়ার্ডপ্রেসের “লুপ” নিয়ে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

২. এবার টেমপ্লেট ট্যাগ গুলো নিয়ে পড়াশোনা করা দরকার। কিভাবে একটা পোস্টের প্রয়োজনীয় এলিমেন্ট গুলোকে থিমের যেখানে ইচ্ছা যেভাবে ইচ্ছা প্রদর্শন করা যায়। এটা করার সময় ফিল্টার হুক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইডিয়া পাওয়া যাবে। ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার হতে গেলে হুক সম্বন্ধে খুব ভালো ধারণা থাকা অতি প্রয়োজনীয়। টেমপ্লেট ট্যাগগুলোর সাথে ফিল্টার হুক নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করা প্রয়োজন। এই সময় মিডিয়া এলিমেন্ট সঠিক ভাবে দেখানোর ব্যাপারে, রিসাইজিং, থাম্বনেইল ইত্যাদি নিয়ে পড়াশোনা করা দরকার।  Continue reading ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করবেন কিভাবে

Tip 003 – Installing Themes and Plugins from the Admin Panel without providing FTP details

In default installation of WordPress, whenever you are trying to install a plugin or themes from the repository, you will ask for FTP credentials to proceed. I found that is pretty disturbing because I don’t understand why WordPress needs that. 

To bypass this annoying step, you can add the following directive in your wp-config.php . Once added, WordPress will never prompt that FTP credential screen again. 

Peace!