ইনস্টলিং ওয়ার্ডপ্রেস

ওয়ার্ডপ্রেস বিখ্যাত তার ৫ মিনিটের ইনস্টলেশন সিস্টেমের জন্য, তবে সত্যি কথা বলতে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করতে এক মিনিটের বেশি লাগে না। নিজের মেশিন বা ক্লাউড/ভিপিএস/শেয়ার্ড/ডেডিকেটেড সার্ভার ছাড়াও অনেক ফ্রি ওয়ার্ডপ্রেস হোস্টিং সার্ভিস আছে। শুধু একটি ব্লগ চালানোই যদি আপনার টার্গেট হয় তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম (wordpress.com) ব্যবহার করে দেখতে পারেন, সহজে এবং বিনামূল্যে যদি ওয়ার্ডপ্রেসের ডেভেলপমেন্ট করতে চান তাহলে প্যাগোডাবক্স (pagodabox.com), ফোর্টর‍্য্যাবিট (fortrabbit.com) বা ওপেনশিফট (openshift.com) ব্যবহার করে দেখতে পারেন।

নিজের মেশিনে বা ভিপিএস/ক্লাউড/ডেডিকেটেড সার্ভারে ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার জন্য আগে ঠিকমত অ্যাপাচি, মাইএসকিউএল এবং পিএইচপি কনফিগার করে ফেলুন। এরপর একটি ভার্চুয়াল হোস্ট তৈরী করুন, আমি ধরে নিলাম আপনার ভার্চুয়াল হোস্টের নাম “local.mywp.dev” যা কিনা “/var/www/mywp” ফোল্ডারের সাথে ম্যাপ করা আছে। আপনি আপনার সুবিধামত যেকোন ফোল্ডারে ম্যাপ করে নিতে পারেন ভার্চুয়াল হোস্ট কনফিগারেশনের মাধ্যমে।

স্টেপ ১: http://wordpress.org এখান থেকে ওয়ার্ডপ্রেসের লেটেস্ট ভার্সন নামিয়ে নিন এবং ফাইলটি আনজিপ করুন।

স্টেপ ২: আনজিপ করা ফোল্ডার থেকে সমস্ত ফাইল কপি করুন আপনার ভার্চুয়াল হোস্ট এর ফোল্ডারে  , এই আর্টিকেলে আমি ধরে নিয়েছি ফোল্ডারটি হল /var/www/mywp Continue reading ইনস্টলিং ওয়ার্ডপ্রেস

ভার্চুয়াল হোস্টের অ আ ক খ

আমরা ডেভেলপমেন্টের সময় বেশীর ভাগ সময়েই আমাদের কোড অ্যাপাচির ডকুমেন্ট রুটে (সাধারনত htdocs ডিরেক্টরীতে) রাখি এবং ব্রাউজারে “localhost” লিখে সেটা অ্যাকসেস করি। কিন্তু আজকে আমরা দেখবো কিভাবে আমরা ভার্চুয়াল হোস্ট তৈরী করে আমাদের প্রজেক্টকে যেকোন হোস্ট নাম দিয়ে ব্যবহার করতে পারি।

ভার্চুয়াল হোস্ট তৈরীর আগে আপনার জানা লাগবে যে আপনার অ্যাপাচি কনফিগ ফাইল কোথায় রয়েছে। প্রধান কনফিগ ফাইলটি সাধারনত httpd.conf বা apache2.conf নামে থাকে। অপারেটিং সিস্টেম ভেদে এই ফাইলের লোকেশন এক এক রকম হয়। ডেবিয়ান বা উবুন্তু তে এটা থাকে /etc/apache2/httpd.conf এই লোকেশনে। CentOS এ এই ফাইল থাকে সাধারনত /etc/httpd/conf/httpd.conf এখানে।

আমরা এই আর্টিকেলে সহজে ভার্চুয়াল হোস্ট তৈরীর জন্য সরাসরি httpd.conf ফাইলে এডিট করব, কিন্তু বাস্তব জীবনে বা প্রোডাকশন এনভায়রনমেন্টে আপনি দেখবেন যে আপনার সরাসরি httpd.conf ফাইলে হাত দেয়ার পারমিশন নাও থাকতে পারে, বা থাকলেও সেখানে এডিট না করে আমরা বরং একই ফোল্ডারে “sites-available” এবং “sites-enabled” নামে দুইটি ফোল্ডার থাকে, সেখানে ভার্চুয়াল হোস্টের ডেফিনিশন লেখা হয়। তবে আজকের আর্টিকেলে, আমরা সরাসরি httpd.conf ফাইলেই এডিট করব। Continue reading ভার্চুয়াল হোস্টের অ আ ক খ

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় টুলস এবং সেটআপ

ওয়ার্ডপ্রেস পিএইচপি দিয়ে লেখা, তাই যেকোন ধরনের ডেভেলপমেন্টের জন্য আপনার কিছুটা হলেও পিএইচপি জানতেই হবে। তাই বলে আবার যে শুধু পিএইচপি জানলেই হবে তাও কিন্তু না, সাথে আরো কিছু আনুসঙ্গিক টুলস এবং টেকনোলজী সম্পর্কে সম্যক এবং কার্যকরী ধারনা থাকা লাগবে। ওয়ার্ডপ্রেসে ডেটাবেজ হিসেবে মাইসিকুয়েল (বা মাইএসকিউএল, যে যেভাবে উচ্চারণ করেন আর কি) এবং ওয়েবসার্ভার হিসেবে অ্যাপাচি ব্যবহার করে। কিছু থার্ড পার্টি লাইব্রেরী আছে বটে যেগুলোর সাহায্যে ওয়ার্ডপ্রেস কোনরকমে পোস্টগ্রেস বা সিকুয়েল লাইট দিয়েও চালানো যায় কিন্তু সেগুলো অতটা রোবাস্ট না হওয়ায়, সুযোগ সুবিধা সীমিত হওয়ার কারনে এবং সর্বোপরি মাইসিকুয়েল সব ধরনের হোস্টিং এনভায়রনমেন্টে অত্যন্ত সহজলভ্য হওয়ায় সেগুলো তেমন জনপ্রিয় হয়নি। আর ওয়েবসার্ভার হিসেবে যে অ্যাপাচির কথা বলছিলাম, সেখানেও একই রকম ব্যাপার। তবে তারপরেও এনজিনএক্স (nginx) নামে আরেকটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং লাইটওয়েট ওয়েবসার্ভার আছে যা দিয়েও ওয়ার্ডপ্রেস চালানো যায়। কিন্তু এনজিনএক্সের সাথে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ করা কিছুটা অ্যাডভান্সড হওয়ায় আমরা এই আর্টিকেলে সেটা নিয়ে আলোচনা করব না, বরং পরবর্তীতে বিশদভাবে এই ব্যাপারে কথা বলা হবে। ওয়ার্ডপ্রেসের ডকুমেন্টেশন বা কোডেক্সেও এই বিষয়ে বিশদ একটি আর্টিকেল রয়েছে।

ওয়েবসার্ভার সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ: ওয়ার্ডপ্রেস অ্যাপাচি ব্যবহার করলেও কাজের সুবিধার্থে আপনার অ্যাপাচির ডিফল্ট কনফিগারেশনে কিছু কিছু মডিউল থাকা বাঞ্ছনীয়। যেমন ভ্যানিটি ইউআরএল বা ফ্রেন্ডলি ইউআরএলের জন্য মড-রিরাইট থাকাটা প্রায় অত্যাবশ্যকীয়। এছাড়া আপনি যদি পরবর্তীতে ডেটাবেজ এবং সিপিইউ এর উপরে লোড কমাতে চান তাহলে ক্যাশিং এনাবল করার জন্য মড-এক্সপায়ারি অথবা মড-হেডারস থাকতে হবে। তবে সেগুলো পরের ব্যাপার। আপাতত মড-রিরাইট থাকাই যথেষ্ট Continue reading ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় টুলস এবং সেটআপ

ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করবেন কিভাবে

ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে যারা ডেভেলপমেন্ট শুরু করছে তারা প্রথম প্রথম খুবই আপসেট থাকে কিভাবে কি করবে। ওয়ার্ডপ্রেসের বিশাল ডকুমেন্টেশেন এবং স্কোপের কারনে সঠিক ভাবে একটা ওয়ার্কফ্লো ফলো করা কঠিন হয়ে যায় তাদের জন্য। এ বিষয়ে আমার সাজেশন হল একদম প্রাইমারী বিষয় থেকে শুরু করা। প্রথমেই প্লাগইন ডেভেলপমেন্টের দিকে না গিয়ে বা ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে থিম কাস্টোমাইজেশনের মত কাজ না নিয়ে বেসিক জিনিস গুলো ঝালাই করে নেয়া উচিত, যেমন

০. ওয়ার্প্রেসের অ্যাডমিন প্যানেল নিয়ে কিছু সময় কাটানো উচিত। কোনটা কোথায় আছে, কিভাবে ট্যাগ বা ক্যাটেগরী (সংক্ষেপে ট্যাক্সোনমি) যোগ করা যায় বা নতুন ইউজার তৈরী করা যায়, তাদের পারমিশন দেয়া যায়, কিভাবে মিডিয়া এলিমেন্ট আপলোড করা যায় এবং পোস্টে সেগুলো অ্যাটাচ করা যায় সেগুলো জানা দরকার। ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেনটের আগে এটা অবশ্যকরণীয় – কারন আমরা যদি নাই জানি যে ডিফল্ট ভাবে ওয়ার্ডপ্রেসে কি কি দেয়া আছে, তাহলে কাজ করার সময় অযথা অনেক সময় নষ্ট হবে ওয়ার্কফ্লো বুঝতে বুঝতেই।

১. এরপর একটা সাধারণ থিম তৈরী করা উচিত একদম নিজে থেকে, ফ্রম স্ক্র‍্য্যাচ যাকে বলে। তাহলে ওয়ার্ডপ্রেসের কয়েকটা প্রয়োজনীয় জিনিস যেমন হুক (বিশেষ ভাবে অ্যাকশন হুক) , স্টাইলশিট এবং জাভাস্ক্রিপ্ট ফাইল এনকিউ করা এবং ওয়ার্ডপ্রেসের “লুপ” নিয়ে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

২. এবার টেমপ্লেট ট্যাগ গুলো নিয়ে পড়াশোনা করা দরকার। কিভাবে একটা পোস্টের প্রয়োজনীয় এলিমেন্ট গুলোকে থিমের যেখানে ইচ্ছা যেভাবে ইচ্ছা প্রদর্শন করা যায়। এটা করার সময় ফিল্টার হুক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় আইডিয়া পাওয়া যাবে। ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপার হতে গেলে হুক সম্বন্ধে খুব ভালো ধারণা থাকা অতি প্রয়োজনীয়। টেমপ্লেট ট্যাগগুলোর সাথে ফিল্টার হুক নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করা প্রয়োজন। এই সময় মিডিয়া এলিমেন্ট সঠিক ভাবে দেখানোর ব্যাপারে, রিসাইজিং, থাম্বনেইল ইত্যাদি নিয়ে পড়াশোনা করা দরকার।  Continue reading ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্ট শুরু করবেন কিভাবে